নারী ও পুরুষরা কীভাবে সেজে উঠতে পারেন নকশি কাঁথার ফ্যাশনে

নকশি কাঁথা বাংলার ঐতিহ্য ও অহংকার। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নকশি কাঁথা শিল্পে এসেছে নানা বদল। তাতে যোগ হয়েছে আধুনিক ফ্যাশনেবল সব ডিজাইন আর নতুন নতুন নকশা। নারী ও পুরুষরা কীভাবে সেজে উঠতে পারেন নকশি কাঁথার ফ্যাশনে টিপস দিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার অনির্বাণ দত্ত মজুমদার (Anirban Dutta Majumder, Fashion Designer)

অনির্বাণ দত্ত মজুমদার জানিয়েছেন, নকশি কাঁথাকে স্বমহিমায় বাঁচিয়ে রাখার দায় আমাদের। নারী এবং পুরুষ উভয়েই সেজে উঠতে পারেন নকশি কাঁথার সাজে। ওয়েস্টার্ন আর এথেনিক আমরা দু' ধরনের পোশাকই পরি। কিন্তু আমাদের লোকশিল্প ও পোশাকের যে প্রাচীন ঐতিহ্য সেগুলো প্রতিদিনের জীবনে না যুক্ত হলে ক্রমশ বিপন্ন হয়ে উঠবে। কাঁথা স্টিচ বহু প্রাচীন। তার পরেই আসে নকশিকাঁথা। পাঞ্জাবী, কুর্তি, স্টোল হিসেবেও ব্যবহার করা যায় নকশি কাঁথা। কিন্তু তরুণ প্রজন্ম জানে না কীভাবে উৎপত্তি হল নকশি কাঁথার।

১৯২৯ সালে কবি জসিমুদ্দিন লিখলেন ‘নকশি কাঁথার মাঠ’। দীর্ঘ কাব্যের মাধ্যমে বলা হয়েছিল রুপাই সাজুর প্রেমের গল্প। তারা পাশাপাশি গ্রামে থাকত। বিয়ে করে তারা। দুজনেরই গ্রামের মধ্যে ঝামেলা বাঁধলে রুপাই ঘরছাড়া হয়। বেশ কিছু বছর পেরিয়ে যায়। সাজু তার ফিরে আসার দিন গোনে। রুপাই যখন ফিরে আসে সাজু আর নেই। সে তাদের গল্প লিখে রেখেছিল নকশি কাঁথার ফোঁড়ে। পুরুষদের জন্য পাঞ্জাবী, আছে মিক্স ওয়ান্ড ম্যাচ ফিউশন পোশাক। নকশি কাঁথার পোশাকের সঙ্গে কড়ির গয়না, তাঁতের গয়না পরা যায়।

এটা শেয়ার করতে পারো

...

Loading...