রবিবার রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা, প্রচন্ড গরমের কারণে পরীক্ষাকেন্দ্রে পর্যাপ্ত জল, ওআরএস এবং জেনারেটর বাধ্যতামূলক

শনি ও রবি আরও গরম বাড়বে রাজ্যে। তাপপ্রবাহে জ্বলে উঠবে বাংলা। এই পরিস্থিতিতেই রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা হতে চলেছে রবিবার। এই গরমের জন্যেই রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের তরফ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রকে পর্যাপ্ত জলের পাশাপাশি ওআরএস মজুত রাখতে হবে। এছাড়া প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে জেনারেটর থাকাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বোর্ডের চেয়ারম্যান মলয়েন্দু সাহা।

সংবাদমাধ্যমে তিনি সেন্টার ইনচার্জদের জানিয়েছেন যে এই এত গরমে জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখতেই হবে। এই আবহাওয়ায় যদি লোডশেডিং হয়, তার জন্যই এটা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া ওআরএস-এর ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। কারণ জলের বোতল নিয়ে পরীক্ষার ঘরে ঢুকতে পারবেন না ছাত্রছাত্রীরা, তাই পর্যাপ্ত জলের ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে।

রবিবার সকাল ১১টা থেকে শুরু হবে প্রথম পত্রের (গণিত) পরীক্ষা। চলবে ১টা পর্যন্ত। দ্বিতীয় পত্রের (পদার্থবিদ্যা ও রসায়ন) পরীক্ষা হবে দুপুর দুটো থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত। পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে মলয়েন্দু সাহা আরও জানিয়েছেন যে দেরি হলে রোদের তেজ বেড়ে যাবে। তাই পরীক্ষার্থীরা যেন সকাল সকাল পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে যান। অর্থাৎ সকাল ৯টা থেকেই পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। সাড়ে ৯টার মধ্যে সকলকে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করে যেতে হবে।

দেখা গিয়েছে এবারের রাজ্য জয়েন্টে রেকর্ড সংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। গত বছরের তুলনায় ১৭ হাজার ৭৭৩ জন বেশি পরিক্ষা দেবেন। অর্থাৎ মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৬৯২ জন। ফলে, পরীক্ষার্থী সংখ্যার সঙ্গেই বেড়েছে পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যাও। এ বছর পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা ৩৮৮। গতবছর সেই সংখ্যা ছিল ৩০৬। তার মধ্যে দুটি ত্রিপুরায় ও একটি অসমে। 

অন্যান্য বছরের মতন এবারেও প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে থাকছে হ্যান্ডহেল্ড মেটাল ডিটেক্টর যন্ত্র। 

মলয়েন্দুবাবু আরও জানিয়েছেন যে কেন্দ্রগুলিতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, সেগুলিতে একাধিক হ্যান্ডহেল্ড মেটাল ডিটেক্টর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তাঁদের প্রায় ৯০ জন রোমিং অবজারভার রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ডিটেক্টর (আরএফডি) নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলি পরিদর্শন করবেন। তাঁরা সবাই প্রথিতযশা অধ্যাপক, প্রাক্তন উপাচার্য।
তিনি জানিয়েছেন যে রাজ্য প্রশাসনের সব স্তরের সহায়তায় তাঁরা পরীক্ষাটা নিতে পারছেন। তাঁরা যা যা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায় নিয়েছেন। এছাড়া পরীক্ষার্থীদের যতটা সম্ভব বাড়ির কাছে পরীক্ষাকেন্দ্র বরাদ্দ করা হয়েছে। পরিবহণ-সহ অন্যান্য জরুরি পরিষেবা সচল রাখতেও ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন।   

এটা শেয়ার করতে পারো

...

Loading...