জাতীয় পতাকার সম্মান রক্ষার্থে পথে নামলো দুই বঙ্গ তনয়।

দেশমাতৃকার আরাধনায়,৭৭তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে মেতে উঠেছিল ভারতবাসী। ত্রিবর্ণ পতাকা, তেরঙ্গা বেলুন সহ নানানরকম জিনিসে সেজে উঠেছিল গোটা ভারত। সকাল হতেই নানা জায়গায় শোনা গিয়েছিলো বন্দেমাতরম ধ্বনি ও জাতীয় সংগীতের সুর। কিন্তু, তারপর? স্বাধীনতা দিবসের পরে দিনের পর দিন দেখা যায় পতাকা পড়ে আছে মাটিতে। দেশমাতৃকার এই অবমাননা সত্যিই কি মেনে নেওয়া যায়? এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সাহসী পদক্ষেপ মনুর। বিগত ১৪বছর ধরে জাতীয় পতাকা কুড়িয়ে সেগুলিকে সযত্নে রেখে দেন নিজের কাছে।

ছোটবেলায় নিজের মাকে দেখেছিলেন রাস্তায় পড়ে থাকা জাতীয় পতাকা তুলে ব্যাগে রাখতে। তারপর থেকে সে নিজেই এই কাজে ব্রতী হন। হাওড়ার বালির নিশ্চিন্দার বাসিন্দা প্রিয়রঞ্জন সরকার ওরফে মনু মনে করেন জাতীয় পতাকার অসম্মান করা মানে নিজের মায়ের অসম্মান করা। বিশেষভাবে সক্ষম মনু এবং তার বন্ধুরা বালি, বেলুড় সহ একাধিক জায়গায় এই কাজ করেন। এক ট্রাঙ্ক ভর্তি জাতীয় পতাকার সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক লক্ষেরও বেশি সংখ্যা। তাকে সবাই চেনে ‘ফ্ল্যাগ ম্যান’ নামে ।

অন্যদিকে জাতীয় পতাকার সম্মান রক্ষা করতে পথে নেমেছেন ক্যারাটে প্রশিক্ষক প্রহ্লাদ সর্দার। বাঘাযতীনের বাসিন্দা তিনি। বাইকে করে শহরের আনাচে কানাচে পৌঁছে গিয়ে তিনি জাতীয় পতাকা কুড়িয়ে রাখেন। স্পিকারের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন সচেতনতা বার্তা। তার কথা অনুযায়ী জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর সেটিকে যত্ন করে রাখার কাজ প্রত্যেকের। সচেতনতা বার্তা প্রদানেই ব্রতী থাকতে চান প্রহ্লাদ।

এটা শেয়ার করতে পারো

...

Loading...