জেনে নিন পুরীধাম দর্শনের মাহাত্ম্য

কথায় বলে-

“গয়া কাশী প্রয়াগাদি আছে বহু স্থল।

সবার উৎকৃষ্ট স্থান হয় নীলাচল”

শ্রীক্ষেত্র প্রভু জগন্নাথের প্রকাশ স্থান। সমস্ত তীর্থের সেরা তীর্থ তাই জগন্নাথধাম পুরী। রত্ন সিংহাসনস্থিত প্রভু জগন্নাথকে দর্শনের সঙ্গে সঙ্গে জন্ম-মৃত্যু-জরার ভয় থেকে মুক্তি পায় ভক্তরা। শ্রী জগন্নাথকে দর্শন করলে পাপক্ষয় থেকে মুক্তি পাওয়া যায় বলে ভক্তদের বিশ্বাস।

গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন- ‘নাহং প্রকাশঃ সর্বস্য যোগমায়া সমাবৃত:ঃ(৭/২৫)

যার অর্থ আমি নিজেকে সর্বত্র প্রকাশ করি না। নিজ যোগমায়া দ্বারা আমি নিজেকে ঢেকে রাখি। সেই জন্যই সব তীর্থ এক হয়ে যায় জগন্নাথ চরণে।পুরুষোত্তম জগন্নাথ ভক্তদের ভক্তমতে তাঁর কাছে যা প্রার্থনা করা হয় তা তিনি পূরণ করেন। ভগবান। তাঁকে দর্শন করলে চতুবর্গ ফল লাভ হয়। তাঁকে দর্শন করলে গ্রহ শান্তি হয়।

শ্রী জগন্নাথ উপনিষদের নিরাকার পরব্রহ্মের প্রকাশ। জগন্নাথ একাধারে পুরুষ একাধারে প্রকৃতি। তিনি ষক্তি-শাক্ত আর শৈবদের দ্বারাও পূজিত। আবার বৈষ্ণবদের দ্বারাও আরাধিত।

জগন্নাথ সব ইন্দ্রিয়যুক্ত হয়েও ইন্দ্রিয়হীন। তাই ব্রহ্মবিদদের কাছে তিনি মহান আর আদি পুরুষ। কঅটি কঅটি জন্মের পাপ ক্ষয় হয়ে যায় প্রভু জগন্নাথের মহাস্নানে। এই স্নানযাত্রার সময়ই ভক্তদের দর্শন দিয়ে তাদের মনস্কামনা পূরণ করেন তিনি।  

এটা শেয়ার করতে পারো

...

Loading...