এবার একাদশ ও দ্বাদশে মেয়েদের জন্য দরজা খুলে দিল স্কটিশ চার্চ কলেজিয়েট স্কুল

প্রায় বছর আগে, ১৯৪ বছরের পুরনো স্কটিশ চার্চ কলেজিয়েট স্কুল তাঁদের দরজা খুলেছিল প্রাথমিক মেয়েদের জন্যে। এবার স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আলেকজান্ডার ডাফের জন্মদিনে শুক্রবার স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন যে এবার থেলে একাদশ ও দ্বাদশের মেয়েরা পড়তে পারবে। তবে, প্রায় দুশো বছরের পুরনো এই স্কুলে প্রথা ভেঙে, একাদশ ও দ্বাদশে সহশিক্ষা শুরু করলেও ছেলেদের জন্য থাকছে পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্তই।

এই বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিভাস সান্যাল জানিয়েছেন যে পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ছেলেদের সঙ্গে মেয়েদের পড়ানোর মতো পরিকাঠামো ভবিষ্যতে তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।

এর আগেও কিছু সরকারি স্কুল এই সহশিক্ষা শুরু করেছে। কিন্তু এই প্রথা ভাঙার কিছু কী কারণ রয়েছে? এই বিষয়ে সেইসব স্কুলের প্রধান শিক্ষকেরা জানিয়েছিলেন যে তাঁরা পড়ুয়ার সংখ্যা কমে যাওয়ায় ছেলে ও মেয়েদের একসঙ্গে পড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তবে, এই বিষয়ে স্কটিশ চার্চ কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক বিভাস সান্যালের রয়েছে অন্য মত। তিনি জানিয়েছেন যে তাঁদের মনে হয়েছে যে এইরকম ঐতিহ্যবাহী স্কুলে শুধু ছেলেরা নয়, মেয়েদেরও পড়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। অনেক অভিভাবকই আর্জি জানিয়েছিলেন, যাতে মেয়েদেরও পড়ার সুযোগ দেওয়া হয়। তাই একাদশ ও দ্বাদশে এখানে মেয়েদেরও পড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল তাঁরা।

মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল এখনও দেরি রয়েছে। কিন্তু স্কটিশ চার্চ কলেজিয়েট স্কুলে একাদশ ও দ্বাদশে মেয়েদের পড়ার সুযোগ হচ্ছে, এমনটা জানতে পেরেই ৬৫-৭০ জন ছাত্রী একাদশের ফর্ম ভরেছে বলে জানিয়েছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।

এখনও মাধ্যমিকের ফল বেরোয়নি। কিন্তু স্কটিশ চার্চ কলেজিয়েট স্কুলে একাদশ ও দ্বাদশে মেয়েদের পড়ার সুযোগ হতেই ৬৫-৭০ জন ছাত্রী একাদশের ফর্ম ভরেছে বলে জানিয়েছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।

স্কুল কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছেন যে মেয়েদের জন্য পরিকাঠামোও তৈরি করা হয়েছে। তাদের জন্য কমন রুম, আলাদা শ্রেণিকক্ষ, শৌচাগার করা হয়েছে। এছাড়া ছেলে এবং মেয়েদের একসঙ্গে পড়ার জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শ্রেণিকক্ষ তৈরিরও পরিকল্পনা রয়েছে বলেই জানিয়েছে তাঁরা। 

এটা শেয়ার করতে পারো

...

Loading...