আপ-এর মাধ্যমে অসংরক্ষিত আসনের টিকিট কাটতে রেল এখন থেকে কিউআর কোড চালু করল

এবার থেকে স্টেশনে টিকিটের লাইনে আর সময় নষ্ট করে দাঁড়িয়ে থাকতে হবেনা। এই দ্রুত গতির সময়ে যাতে কিছুটা সময় বাঁচানো যায়, তার জন্য রেল মন্ত্রক একটি অভিনব পদ্ধতি নিয়েছে। এই উদ্দেশ্যে গোটা দেশেই আপ-এর মাধ্যমে অসংরক্ষিত টিকিট কাটার প্রথা চালু হয়েছে। সমস্যা এড়াতে এবার কিউআর কোড ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিল রেল। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ-পূর্ব এবং পূর্ব রেলের দুটি বিভাগে এই ব্যবস্থা কার্যকর হয়েছে।

দক্ষিণ-পূর্ব রেল সূত্রের খবর, আপের মাধ্যমে টিকিট কাটার রাস্তা আরো সহজ করে দেবার জন্য 'ক্যুইক রেস্পন্স কোড' বা 'কিউ আর' কোড চালু করা হয়েছে। ১ ডিসেম্বর থেকে খড়্গপুর বিভাগের শহরতলীর মোট ৬৪টি স্টেশনের মধ্যে ৫৬ স্টেশনকে ইতিমধ্যেই এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে। অর্থাৎ হাওড়া-মেদিনীপুর, পাঁশকুড়া-হলদিয়া, সাঁতরাগাছি-আমতা, সাঁতরাগাছি-শালিমার এবং পাঁশকুড়া-তমলুক(দীঘা লাইন) শাখার যাত্রীরা এই ব্যবস্থার সুবিধা নিতে পারবেন।

  এই ব্যবস্থার অধীনে থাকা স্টেশনগুলোর জন্য পৃথক পৃথক কিউআর কোড থাকবে। কোনও যাত্রী স্টেশনে ঢুকেই যাতে এই কোড দেখতে পায় তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাত্রীকে নিজের আপটি খুলে কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে। তাহলেই যাত্রা শুরুর স্টেশন চলে আসবে। এর পর আগের মতোই ভাড়া মিটিয়ে টিকিট কাটতে হবে। এই জোনের এক কর্তা বলেন, বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের শহরতলীর শাখায় যাতায়াত করেন ৩.৮৩ লক্ষ যাত্রী। ফলে নতুন এই ব্যবস্থায় যথেষ্ট লাভবান হবেন যাত্রীরা। পূর্ব রেলের শিয়ালদহ বিভাগেও এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে ১ ডিসেম্বর থেকে। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকার বেশ কিছুদিন থেকেই সমস্ত আর্থিক লেনদেন, সরকারি কাজকর্ম প্রভৃতি ডিজিট্যালি করার প্রচেষ্টা করছেন। এই ব্যবস্থাও সেই প্রক্রিয়ারই আর একটি অঙ্গ বলেই মনে করা হচ্ছে।

এটা শেয়ার করতে পারো

...

Loading...