মাঘী পূর্ণিমা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

মাঘ মাসের পূর্ণিমাকে বলা হয় মাঘী পূর্ণিমা। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারী পড়েছে মাঘী পূর্ণিমার শুভ দিন। যদিও ৪  ফেব্রুয়ারী রাত থেকেই মাঘী পূর্ণিমার তিথি শুরু হয়ে যাবে, তবে সারাদিন থাকবে। এইদিন গঙ্গায় বা গঙ্গার জলে স্নান সেরে পবিত্র হয়ে পুজো ও দান করার এক বিশেষ নিয়ম রয়েছে। মকর সংক্রান্তির পর মাঘ মাসের এই স্নানকে ‘মাঘ পূর্ণিমার বড় স্নান’ বলা হয়।

এই শুভ দিনে উপবাস রাখা ও নিরামিষ খাওয়ার বিশেষ প্রথা রয়েছে। এছাড়াও এই তিথিতে সত্যনারায়ণ ব্রত রাখা হয়। শাস্ত্র মতে, যাদের জন্মকুণ্ডলীতে চন্দ্রের দোষ থাকে তারা এই শুভ দিনে লক্ষ্মী আরাধনা করলে দোষ কেটে যায়। 

এই মাঘ পূর্ণিমা মাঘী পূর্ণিমা এবং মাঘিন পূর্ণিমা নামেও পরিচিত। কেন উদযাপন করা হয় এই দিনটি ? এটা শোনা যায় যে মাঘ মাসে দেবলোক থেকে দেবতারা পৃথিবী পরিদর্শন করতে আসেন। তাই পবিত্র গঙ্গায় স্নান সেরে দানের প্রথা চলে আসছে বহুযুগ থেকে। মাঘী পূর্ণিমা তিথিতেই চন্দ্র প্রবেশ করে কর্কট রাশিতে। তাই বলা হয় সূর্য ও চন্দ্রের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও সমস্যা আপনার ক্ষেত্রে থাকলে সেগুলি দূর হয় পবিত্র স্নানে। এই মাঘী পূর্ণিমায় উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে চলে বিশাল আকারে মাঘ মেলা। এই বছরে মকর সংক্রান্তিতে প্রয়াগরাজে প্রায় ৩৬ লক্ষ মানুষ বড় স্নান করেছিলেন। তাই এবছর ভিড় জমার সম্ভাবনা রয়েছে বিপুল পরিমানে।

এই বছর মাঘী পূর্ণিমার শুভ সময় (হিন্দি পঞ্চাঙ্গ ২০২৩ অনুসারে) ৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার রাত ৯টা বেজে ২৯ মিনিট থেকে শুরু হবে। যার সময়সীমা ৫ ফেব্রুয়ারি, রবিবার রাত ১১টা বেজে ২৮ মিনিট পর্যন্ত। অতএব দেখতে গেলে উদযাপন করার জন্য ৫ তারিখটিই শ্রেয়। তবে জ্যোতিষীদের মতে, রবিবার অর্থাৎ ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২টা বেজে ১৩ মিনিট পর্যন্ত থাকবে এক বিশেষ শুভ সময়। যার গুরুত্ব বাকি সময়ের চেয়ে অনেকটাই বেশি। এই সময় পুজো ও দান করলে নাকি মিলবে বিশেষ ফল।

এটা শেয়ার করতে পারো

...

Loading...